বুধবার , ডিসেম্বর 8 2021
Home / Slide1 / ১৭ টিরও বেশি দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে আইসিসির ইভেন্ট আয়োজনে

১৭ টিরও বেশি দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে আইসিসির ইভেন্ট আয়োজনে

ইকবাল হাসান:

আইসিসির ইভেন্ট আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ, ভারত ও অস্ট্রেলিয়াসহ মোট ১৭টি দেশ আগামী ৮ বছরে আইসিসির কাছে আবেদন জমা দিয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এককভাবে আয়োজক হতে চায় বাংলাদেশ। তবে দেশগুলোর আগ্রহের পর আইসিসিই আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেবে কোন দেশ কোন আসর আয়োজনের সুযোগ পাবে।

২০২৪ সাল থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত এই ৮ বছরের ৩০টি ইভেন্ট আয়োজন করবে বলে ঘোষণা দিয়ে ক্যালেন্ডারও প্রকাশ করে। ঘোষিত আইসিসির ইভেন্টগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আকষর্ণীয় হলো- দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও চারটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আছে দুটি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মতোও মেগা আসর। এছাড়াও, অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ও নারীদের টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ানডে বিশ্বকাপও আছে। সব মিলিয়ে আগামী আট বছরে গড়ে আইসিসির ইভেন্ট তিন থেকে চারটি।

আইসিসির পূর্ণাঙ্গ সদস্য দেশ ও সহযোগী দেশগুলোকে আয়োজনের আগ্রহের জন্য চিঠি দেয় আইসিসি। বাংলাদেশ, ভারত অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ডসহ মোট ১৭টি দেশ পছন্দ অনুযায়ী নিজেদের আগ্রহের কথা জানিয়ে আইসিসির কাছে আবেদন করেছে দেশগুলো। মূলত আইসিসির প্রকাশিত ক্যালেন্ডারের আটটি টুর্নামেন্টে দেশগুলোআগ্রহ ব্যাপক। যার মধ্যে দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও চারটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং দুটি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। পূর্ণাঙ্গ দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান আবেদন করেনি।

আইসিসির প্রধান নির্বাহী জিওফ অ্যালারডাইস বলেন, প্রকাশিত চক্রে ছেলেদের সীমিত ওভারের ইভেন্ট আযোজনের ব্যাপারে সদস্যদের সাড়া পেয়ে আমি দারুণ খুশি। এই প্রক্রিয়ায় একদিকে যেমন আমাদের স্বাগতিক দেশগুলোর সংখ্যা বাড়বে, অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটকে ঘিরে আরও বেশি দর্শকের আগ্রহ তৈরি হবে।

অন্দরমহলের খবর হলো, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) চাইছে ২০২৫ কিংবা ২০২৯ সালের ছেলেদের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এককভাবে আয়োজক হতে চায়। এছাড়াও, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যৌথভাবে ভারত ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আয়োজন করতে চায় ক্রিকেট বোর্ড।

ছেলেদের আইসিসির ওয়ানডে বিশ্বকাপ একক আয়োজক করতে হলে ১০টি আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজক হতে হলে অন্তত ৮টি ভেন্যু থাকতে হবে। সেখানেই পিছিয়ে ক্রিকেট বোর্ড। তাই এই দুটি ইভেন্টে যৌথ আয়োজকের আবেদন করেছে বিসিবি।

প্রাথমিক পর্যায়ে আইসিসি ১৭টি দেশের কাছ থেকে আবেদন পাওয়ার পর দ্বিতীয় পর্যায়ে নানা হিসাব কষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি। কারণ আগে আয়োজক দেশকে আইসিসি মোটা অংকের অর্থ দিতে হত। এখন উল্টো। ওই আয়োজক দেশকে তাদের আয়ের উৎস থেকে আইসিসিকে অর্থ প্রদান করতে হবে। তাই, আয়োজক দেশের ক্রিকেট জনপ্রিয়তা, ক্রিকেট বাজার ও প্রসার সবচেয়ে বড় কথা। উক্ত দেশ থেকে লভ্যাংশ কেমন আসবে। এসব বিচার বিশ্লেষণ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে করা হবে আইসিসির ইভেন্ট আয়োজক।

About Md Shahadat Hossain

Check Also

একই গ্রুপে ভারত-পাকিস্তান

ইকবাল হাসান: আসন্ন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান এক গ্রুপে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার (১৬ জুলাই) …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।